আজ- রবিবার, ২৪শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ ইং, ৮ই আশ্বিন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ
Email *

শিরোনাম

  মনোয়ারাঃ সক্ষম সন্তানদের মরতে বসা মা       নদী-খাল উদ্ধারে সফল, সফলতার পথে এবং সম্ভাব্য অভিযান       মাছের পেটের রড থেকে গরাদঘরে       পাবনায় নৌ-র‌্যালিঃ নদী উদ্ধারে নতুন উদ্ভাবন       বন্যার্তদের জন্য দান নয় ঋণ শোধের আয়োজন       আক্রান্ত সিটিজেন জার্নালিজম       দক্ষিণাঞ্চলে দুই সপ্তাহব্যাপী নিম্নচাপঃ উদ্ভাবন ও সিটিজেন জার্নালিজম বিব্রত       আইনজীবীর হৃৎকম্পে কাঁপছে দেশ       পাবলিক পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর প্রতিচ্ছবি       জনশক্তিতে উদ্ভাবন       ফেইসবুক, বাংলাদেশ সরকার এবং রাজার ঘণ্টা       অধ্যক্ষ অনিমেষ ও সোশাল মিডিয়া       জনবান্ধব স্বাস্থ্যসেবায় সোশ্যাল মিডিয়া ও প্রথা ভাঙ্গার গল্প       শিয়ালের কামড় থেকে সোশাল মিডিয়ার কামড়       সোশাল মিডিয়া ইনোভেশন এ্যাওয়ার্ডের ১ বছর ১ মাস       দেশের প্রথম ‘স্টুডেন্ট কমিউনিটি পুলিশিং’ সম্মেলন       আদালতের ভ্রমণ বর্জন       আবহাওয়া অধিদফতরের এ্যাপে বজ্রপাতের পূর্বাভাস ও করণীয়       WSIS Prizes 2017 এ ভোট দেয়ার ৭ টি দাপ্তরিক নজির       RMP’র মাদক ও জঙ্গী বিরোধী উদ্ভাবন ও অন্যান্য    

আইনজীবীর হৃৎকম্পে কাঁপছে দেশ

একাত্তর টিভির টকশোতে ফ্রন্ট কাভারে ব্যবহৃত মুক্তিযোদ্ধাদের গেরিলা হামলার ছবিটি সম্পর্কে বঙ্গবন্ধুর ছবি বিকৃতি মামলার বাদী জনাব ওবায়েদ উল্লাহ সাজু বললেন ‘কয়েকটি বাচ্চা গাছের নীচে খেলছে’। হাতে আঁকা ছবি সম্পর্কে এই হলো তাঁর ব্যাখ্যা।

ব্যাক কfভারের ছবিতে বঙ্গবন্ধুর গলায় যে মালা দেখা যাচ্ছে সেটিকে তিনি বলেছেন ‘মাফলার’।

কার্ডে লেখা ছিল ছবিটি পঞ্চম শেণীর একটি শিশুর আঁকা। পত্রিকায় পড়লাম সাজু সাহেব বলেছেন লেখা এতো ছোট ছিল যে তাঁর চোখে পড়েনি। চোখে পড়লে নাকি মামলা করতেন না।তাহলে তিনি কি ভেবেছিলেন? ভেবেছিলেন ইউএনও জনাব তারিক সালমান এঁকেছেন?

বঙ্গবন্ধুর গালে তিল এঁকে বিকৃত করা হয়েছে বলে মামলা করেছেন। সম্ভবত চোখের যে সমস্যার জন্য কার্ডের লেখা চোখে পড়েনি সে্জন্যই বঙ্গবন্ধুর কোনো ছবিতে গালের তিলও চোখে পড়েনি তাঁর।

কার্ডের পিছনে বঙ্গবন্ধুর ছবিটি দেখার পর নাকি তার হৃৎকম্প শুরু হয়। সম্ভবত কম্প থামতে সময় লেগেছে তাই প্রায় আড়াই মাস পরে মামলা করেছেন।তবে আইনজীবীদের এমন হৃৎকম্প ঘটিয়েছেন যে কোনো আইনজীবী বাদীর পক্ষে জামিনের আবেদন নিয়ে দাঁড়াতে সাহস পাচ্ছিলেন না। শুনলাম শুনানির সময় প্রায় ৫০ জন আইনজীবী নিয়ে বিচারক, বিবাদী এবং বিবাদীর আইনজীবীর হৃৎকম্প ঘটাতেও সক্ষম হয়েছেন তিনি।

আর বঙ্গবন্ধুর গালে তিল একে বিকৃত করা ছবি দেখে যার হৃৎকম্প শুরু হয় তাঁর তো ১৯৭৫ সালের ১৫ আগষ্ট হৃৎযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মারা যাবার কথা।

ধন্যবাদ জানাই সাহসী এডভোকেট মোখলেছুর রহমানকে যিনি সৎ ও সৃজনশীল ইউএনওর পাশে দাঁড়িয়েছিলেন।

সাজু সাহেব এখন বলছেন মামলা করা যদি দোষের হয় তাহলে শোকজ করে ডিসিও দোষ করেছেন। মুক্তিযুদ্ধের ছবিকে যিনি ‘কয়েকটি বাচ্চা গাছের নীচে খেলছে’ বলতে পারেন তাঁর পক্ষে অবশ্য শোকজ আর মামলার তফাৎ বোঝার কথা নয়।

ছবি বিকৃত করার অভিযোগে মামলা করে পরে বলছেন ব্যাক কভারে ছেপে অবমাননা করা হয়েছে।

আগে বানর তৈলাক্ত বাঁশের মাথায় ওঠার চেষ্টা করতো ! এখন তৈলাক্ত বাঁশ নিয়ে ঘোরে বাঁশ দেবার জন্য।

আইনপেশায় দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা থাকলেই আইনজীবী সমিতির সভাপতি হওয়া যায় বলে জানতাম। এরকম একজন মানুষের যুক্তি ও ব্যাখ্যা এতো দূর্বল কিভাবে হয়?

দেশ সেরা স্ট্যান্ড আপ কমেডিয়ান জনাব নাভিদ মাহবুবকে অনুরোধ করতে ইচ্ছে করছে তাঁর টিভি শোতে বরিশালের এই আইনজীবী সমিতির সভাপতিকে আমন্ত্রণ জানাতে। দেশের মানুষ প্রাণ খুলে হাসতে পারবে।

Categories: ইভেন্ট