আজ- সোমবার, ২১শে অক্টোবর, ২০১৯ ইং, ৬ই কার্তিক, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
Email *

শিরোনাম

  Empathy, Patriotism & Commitment Group: একটু বিশ্লেষণ       বৃক্ষ রোপণের ৭ তারকা ও ১ শিল্পী       ‘পরিবর্তন চাই’ এর চার বছর       নামে কী বা আসে যায়       লৌহজং ‘সামাজিক আন্দোলন’ – আমার সুখ স্মৃতি       `একাত্তরের জননী’র সন্তানেরা       মনোয়ারাঃ সক্ষম সন্তানদের মরতে বসা মা       নদী-খাল উদ্ধারে সফল, সফলতার পথে এবং সম্ভাব্য অভিযান       মাছের পেটের রড থেকে গরাদঘরে       পাবনায় নৌ-র‌্যালিঃ নদী উদ্ধারে নতুন উদ্ভাবন       আক্রান্ত সিটিজেন জার্নালিজম       দক্ষিণাঞ্চলে দুই সপ্তাহব্যাপী নিম্নচাপঃ উদ্ভাবন ও সিটিজেন জার্নালিজম বিব্রত       আইনজীবীর হৃৎকম্পে কাঁপছে দেশ       পাবলিক পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর প্রতিচ্ছবি       জনশক্তিতে উদ্ভাবন       ফেইসবুক, বাংলাদেশ সরকার এবং রাজার ঘণ্টা       অধ্যক্ষ অনিমেষ ও সোশাল মিডিয়া       জনবান্ধব স্বাস্থ্যসেবায় সোশ্যাল মিডিয়া ও প্রথা ভাঙ্গার গল্প       শিয়ালের কামড় থেকে সোশাল মিডিয়ার কামড়       সোশাল মিডিয়া ইনোভেশন এ্যাওয়ার্ডের ১ বছর ১ মাস    

গুছিয়ে লিখতে গিয়ে ঘুচিয়ে

untitled-1-copy
এবছর ফেব্রুয়ারী মাসের প্রথম সপ্তাহে চাঁপাই নবাবগঞ্জ গিয়েছিলাম এটুআই ও বিভাগীয় কমিশনার অফিসের পরিচালনায় ও জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় ২ দিনের ‘ইনোভেশন ইন পাবলিক সার্ভিস’ ওয়ার্কশপের ফ্যাসিলিটেটর হিসাবে। তখনই প্রথম পরিচয় হয়েছিল চাঁপাই নবাবগঞ্জের নতুন জেলা প্রশাসক জাহিদুল ইসলাম স্যারের সাথে। বলেছিলেন – জনপ্রশাসনে উদ্ভাবন বলতে আমি বুঝি দূর্নীতিমুক্ত প্রশাসন। সমাপনী বক্তব্যে দূর্নীতির বিরুদ্ধে একরকম জেহাদই ঘোষণা করলেন তিনি। বিদায়ের সময় কেন যেন মা-বাবার কথা জিজ্ঞেস করলেন। মা তখনও বেঁচে ছিলেন। স্যারকে ‘পাবলিক সার্ভিস ইনোভেশন বাংলাদেশ’ গ্রুপে এ্যাকটিভ হতে অনুরোধ করলাম। অনুরোধে কাজ হয়নি দেখে মাস তিনেক পরে পুনরায় অনুরোধ করেছিলাম। বুঝেছি ফেসবুকের চেয়ে মানুষের বুকে স্থান করে নিতেই বেশী তৎপর থাকতেন তিনি। মানু্ষের বুকে থাকা মানুষটির বুকে আমার একটু জায়গা আছে জেনে ধন্য হয়েছিলাম সেদিন – আপনি ভাল ফ্যাসিলিটেটর, আগামী ওয়ার্কশপেও এটুআইকে বলবো আপনাকে পাঠাতে।

গত কয়েক মাসে অসম্ভব রকম সৎ, ধার্মিক এবং কর্মতৎপর এই মানুষটি সম্পর্কে বিভিন্ন কথা শুনে বুঝেছি চাঁপাই নবাবগঞ্জের মানুষের বুকে পাকাপোক্ত জায়গা করে নিয়েছেন তিনি। চাঁপাই নবাবগঞ্জের মাটি আর মানুষকে খুব আপন করে নিয়েছিলেন। কিন্তু ফেসবুকের এই গ্রুপে তাঁর কোনো পোস্ট চোখে পড়েনি। প্রথম পোস্ট চোখে পড়লো গত পরশু, ১৫ অক্টোবর। খুব ভাল লাগলো দেখে। ভেবেছিলাম একটু গুছিয়ে ভাল করে কমেন্ট লিখবো। ফোন করার কথাও ভেবেছিলাম। গ্রুপে এ্যাকটিভ হবার জন্য ধন্যবাদ জানাতে আর ওয়ার্কশপ ফ্যাসিলিটেট করার বকেয়া বিলের কথা মনে করিয়ে দিতে (প্রশিক্ষণ খাতে ঘাটতি থাকায় অন্য খাত থেকে ফ্যাসিলিটেটরের বিল পরিশোধ করতে রাজী ছিলেন না তিনি)। প্রথম পোস্টই তাঁর শেষ পোস্ট হবে জানলে কোনোদিন পোস্ট করতে বলতাম না। ফেসবুকে নয় আপনি চাঁপাই নবাবগঞ্জের মানুষের বুকেই থাকুন। অগণিত মানুষের বুকে থাকা মানুষটির সাথে ঈশ্বর সদ্ব্যবহার করবেন আমি নিশ্চিত। আর তাঁর পরিবারকে দেবেন এই শোক সহ্য করার শক্তি। তাই যেন হয়। আমিন।

• ভাবছি আর গুছিয়ে লেখার কথা ভাববো না। যখন যা মনে আসবে লিখে ফেলবো। গুছিয়ে লিখতে গিয়ে লেখার প্রয়োজন ঘুচিয়ে ফেলার কোনো মানে হয় না।

Categories: উদ্ভাবক