আজ- সোমবার, ১৯শে আগস্ট, ২০১৯ ইং, ৪ঠা ভাদ্র, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
Email *

শিরোনাম

  Empathy, Patriotism & Commitment Group: একটু বিশ্লেষণ       বৃক্ষ রোপণের ৭ তারকা ও ১ শিল্পী       ‘পরিবর্তন চাই’ এর চার বছর       নামে কী বা আসে যায়       লৌহজং ‘সামাজিক আন্দোলন’ – আমার সুখ স্মৃতি       `একাত্তরের জননী’র সন্তানেরা       মনোয়ারাঃ সক্ষম সন্তানদের মরতে বসা মা       নদী-খাল উদ্ধারে সফল, সফলতার পথে এবং সম্ভাব্য অভিযান       মাছের পেটের রড থেকে গরাদঘরে       পাবনায় নৌ-র‌্যালিঃ নদী উদ্ধারে নতুন উদ্ভাবন       আক্রান্ত সিটিজেন জার্নালিজম       দক্ষিণাঞ্চলে দুই সপ্তাহব্যাপী নিম্নচাপঃ উদ্ভাবন ও সিটিজেন জার্নালিজম বিব্রত       আইনজীবীর হৃৎকম্পে কাঁপছে দেশ       পাবলিক পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর প্রতিচ্ছবি       জনশক্তিতে উদ্ভাবন       ফেইসবুক, বাংলাদেশ সরকার এবং রাজার ঘণ্টা       অধ্যক্ষ অনিমেষ ও সোশাল মিডিয়া       জনবান্ধব স্বাস্থ্যসেবায় সোশ্যাল মিডিয়া ও প্রথা ভাঙ্গার গল্প       শিয়ালের কামড় থেকে সোশাল মিডিয়ার কামড়       সোশাল মিডিয়া ইনোভেশন এ্যাওয়ার্ডের ১ বছর ১ মাস    

বিদ্যুৎ না বন ?

বাঙালীর ধারণা ছিলো সমভূমি সুন্দর, চর সুন্দর। কিন্তু বন সুন্দর নয়। প্রথম বন দর্শনে বনও সুন্দর হতে পারে বোঝার পর এর নাম সুন্দরবন ছাড়া আর কিছু মাথায় আসেনি। দক্ষিণ আমেরিকায় বাঙালীর বসবাস না হোক উঠাবসা থাকলেও আমাজন ফরেস্টের নাম সুন্দরবন হতো বলে আমার ধারণা। সেটা হলে ভালই হতো। রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র নিয়ে সরকার বিরোধীরা তাহলে ‘একটাই সুন্দরবন’ বলে বলে মানুষের মন নরম করে ফেলতে পারতো না। শুনেই সেই আন্দোলনের সাথে একাত্ম হয়ে যেতো না মানুষ।

কাপ্তাইতে আমরা জলবিদ্যুৎ উৎপাদন করি। মুহুরী ভ্যালিতে সামান্য কিছু বায়ুবিদ্যুতও হয়। এদিকে প্রত্যন্ত অঞ্চল সমূহে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের হার দিন দিন বাড়ছে। ওদিকে রুপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদনের কাজ এগিয়ে চলছে দ্রুত গতিতে। তাহলে সুন্দরবনে কিছু বিদ্যুত উৎপন্ন করে বনবিদ্যুতের ভূবনে পা রাখতে অসুবিধা কি? আমি তো মনে করি কেওক্রাডং শীর্ষে বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র নির্মাণ করে গিরিবিদ্যুতের জগতেও পা রাখা দরকার। এবং তারপর কক্সবাজার সী-বীচে বীচবিদ্যুৎ করতে পারলে ষোল কলা পূর্ণ হয়।

আমি রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্রের পক্ষে। সুন্দরবন ধ্বংস হলেও। এতে লাভ আছে। সকল বনই যেহেতু সুন্দর সেহেতু একটি বনের নাম ‘সুন্দরবন’ ভাষাগতভাবে ভুল। এই নামকরণের মধ্যে অসাম্য আছে। জগতের যাবতীয় বনের মধ্যে হীনমন্যতাবোধ ও অসন্তোষ তৈরী করে এরূপ নামকরণ সংগত নয়। শুধু হীনমন্যতা তৈরীই নয় ভুল ভাবে ভাষা ব্যবহার করে বাঙলা ভাষাকেও ছোট করে একুশের চেতনায় আঘাত করা হয়ে থাকতে পারে। এই নামকরণ একটি অনাচার। এই নামকরণ বনবিধানের সাথে সাংঘর্ষিক এবং যাবতীয় বনাচার বিরোধী। নাম ‘সুন্দরতর’ বন হলে বাঙলা ভাষার ভাবমূর্তি রক্ষা পেত। তখন সেই ‘সুন্দরতর’ বন ধ্বংস করে রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের বিরোধিতা আমিও করতাম।

Categories: কার্যক্রম